ঢাকা রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে সংবর্ধনা প্রদান

ক্রীড়া ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৯ মার্চ ২০২২ ১৮:৫৮; আপডেট: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২০:৫১

 

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের শেখ কামাল অডিটোরিয়ামে এক আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে মালদ্বীপ সরকার কর্তৃক "মালদ্বীপ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড-২০২২" পুরস্কারে ভূষিত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি কে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ও দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশন সংবর্ধনা প্রদান করেছে।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সচিব শেখ হামিম হাসানের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনর রশীদ।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন, ক্রীড়াবান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতা, পৃষ্ঠপোষকতা ও সুপরিকল্পিত দিকনির্দেশনার কারণেই ক্রীড়াঙ্গনে একের পর এক সাফল্য অর্জিত হচ্ছে।

মালদ্বীপ সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের যে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে এটিও সম্ভব হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কারনে। স্পোর্টস এর উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যা চেয়েছি উনি আমাদের সেটাই দিয়ে থাকেন। করোনাকালেও তিনি বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশনকে ৩০ কোটি টাকা সীডমানি দিয়েছেন। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার জন্মদিনে, আন্তর্জাতিক এ স্বীকৃতি প্রাপ্তি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এ অর্জন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অর্জন। বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের অর্জন। আমি এ পুরস্কার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করেছি। এ পুরস্কার প্রাপ্তি আমাকে আরো ভালো কাজ করতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

যুব ও ক্রীড়া সচিব বলেন, স্বাধীনতার এ মহান মাসে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মালদ্বীপ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশ সম্মানিত হয়েছে। বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনর রশীদ বলেন, মুজিব বর্ষ ও সুবর্ণ জয়ন্তীর এ মাহেন্দ্রক্ষণে এটি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। সমগ্র বাঙালি জাতি আজ গর্বিত।

এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো ক্রীড়া মন্ত্রী এতো বড় পরিসরে কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আন্তর্জাতিক এ পদক অর্জন করেছে। তিনি আসলে এতো কাজ করেছেন। তিনি সব খেলা ধুলায় মাঠে থাকতে পছন্দ করেন। করোনায়ও তিনি থেমে থাকেনি।

বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি ও তথ্য কমিশনার ড. আবদুল মালেক, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বান্দরবান জেলা পরিষদের ক্যা শৈ লা, রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত খেলোয়াগ আবদুল গাফফার, বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কামরুন্নাহার হীরু।

অনুষ্ঠানে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপকমিটি, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন, বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশন, বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন, শেখ রাসেল স্পোর্টস একাডেমি, বাংলাদেশ জুডো ফেডারেশন, বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন, বাংলাদেশ রোয়িং ফেডারেশন, মোহাম্মদপুর শারিরীক শিক্ষা কলেজ, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক ফেডারেশন, তায়কোয়ানদো ফেডারেশন, টেবিল টেনিস ফেডারেশন, ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন, রোলার স্কেটিং ফেডারেশন, আর্চারী ফেডারেশন, জিমনাস্টিক ফেডারেশন।

এছাড়াও বক্সিং ফেডারেশন, উশু ফেডারেশন, হ্যান্ডবল ফেডারেশন, থ্রোবল ফেডারেশন, ফেন্সিং এসোসিয়েশন, শরীর গঠন ফেডারেশন, বাস্কেটবল ফেডারেশন, কাবাডি ফেডারেশন, টেনিস ফেডারেশন, সাইক্লিং ফেডারেশন, শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশন, সেপাকটাকরো, ক্যারাম ফেডারেশনসহ অন্যান্য ক্রীড়া ফেডারেশন/ এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ , বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও কৃতী খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন।

 




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top