ঢাকা শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ৫ আষাঢ় ১৪২৮

সোহেল এবং বিশ্বনাথের পাশে বাফুফে

স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২১ ২৩:৫৫; আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২১ ১২:৫৯

ফুটবলারের সাথে ইনজুরিটা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত কারণ একজন ফুটবলার ফুটবল খেলবে আর অনাকাঙ্ক্ষিত ইনজুরিতে পড়বে না এটা খুবই অস্বাভাবিক ব্যাপার। আর একটি ইনজুরি একটি খেলোয়াড়ের জীবনকে ধ্বংস করে দিতে পারে ধ্বংস করে দিতে পারে তার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্নকে।

একজন ফুটবলারের ইনজুরিটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।  আর সেটা যদি হয় জাতীয় দলে খেলতে গিয়ে তা হলেতো সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়ায় তার জীবনের জন্য। আর এই দুঃস্বপ্নকে বা ইনজুরি পড়ার ভয়ে ক্লাবগুলো বেশিরভাগ সময় খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে খেলতে দিতে অনীহা প্রকাশ করে। আর ক্লাবগুলোর অনীহা দূর করার জন্যই ফিফা চালু করেছে ‘ফিফা ক্লাব প্রটেকশন প্রজেক্ট’।

 

এই প্রজেক্টের আওতায় থেকেই বাংলাদেশের দুই ফুটবলার মাসুক মিয়া জনি ও আতিকুর রহমান ফাহাদ জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে আহত হয়ে চিকিৎসার অর্থ পেয়েছিলেন ফিফার কাছ থেকে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জনির জন্য সাড়ে ১৪ লাখ ও ফাহাদের জন্য ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল।

এই প্রজেক্টে আরো দুই ফুটবলারের চিকিৎসার অর্থ ফিফার কাছে চেয়েছে বাফুফে। একজন বসুন্ধরা কিংসের ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ, অন্যজন আবাহনীর গোলরক্ষক শহীদুল আলম সোহেল।

 

গত নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত নেপালের বিপক্ষে সিরিজের ম্যাচে সোহেল মেরুদন্ডে ব্যথা পেয়েছেন। গত মাসে নেপালে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে কিরগিজস্তান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্বনাথ পায়ে আঘাত পেয়েছেন।

 

চিকিৎসার জন্য কোন খেলোয়াড় কত টাকা পাবে তা নির্ভর করে ইনজুরির ধরণ ও চিকিংসার সময়ের ওপর। বাফুফে সেভাবেই সোহেলের ৩৫ দিন চিকিৎসার জন্য ৪ লাখ টাকা এবং বিশ্বনাথের ৬০ দিনের জন্য সাড়ে ৩ লাখ টাকার মতো চেয়েছে।

 

ফিফার এই প্রজেক্টে একজন আহত ফুটবলার কমপক্ষে ৩০ দিন ও সর্বোচ্চ ৩৬৫ দিন চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থের জন্য আবেদন করতে পারে। ইনজুরড ফুটবলারদের চিকিৎসার জন্য ফিফা সর্বোচ্চ ৮ কোটি ইউরো দিয়ে থাকে। আবেদন করতে হবে আহত হওয়ার ২৮ দিনের মধ্যে। কারো ইনজুরি ৩০ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে গেলে ফিফার এই প্রজেক্টের অর্থ সহায়তা পাবেন না।

 

ক্লাবের খেলোয়াড়দের এই প্রটেকশন প্রজেক্টের বিস্তারিত ফিফা প্রতিটি দেশের ক্লাবগুলোর কাছে পৌঁছে দিয়েছে ফেডারেশনের মাধ্যমে। তবে বাংলাদেশের ফুটবলাররা ফিফা থেকে এখন পর্যন্ত যে চিকিৎসা সহায়তা পেয়েছে এবং পাচ্ছে সেটা বাফুফেরই একক উদ্যোগে। বাফুফে তার একক প্রচেষ্টায় খেলোয়াড়দের এই দুঃস্বপ্নময় ইনজুরির চিকিৎসার জন্য সর্ব সময় পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে আর সেই ধারাবাহিকতায় এবারও তারা আবেদন করেছে।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top