ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

দারুণ জয়ে শুরু কলকাতার, সাদামাটা সাকিব

নিজস্ব প্রতিবেদক: | প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০২১ ২২:১৫; আপডেট: ৭ জুলাই ২০২২ ০১:৪৩

আগামী অক্টোবরে ভারতের মাটিতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই প্রতিযোগিতার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জাতীয় দলের সিরিজ বাদ দিয়ে আইপিএলকে বেছে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। যদিও প্রথম ম্যাচে সাকিবের প্রস্তুতিটা ভালো হয়নি! এদিন সাদামাটা সাকিবকে পাওয়া গেলেও কলকাতা নাইট রাইডার্স ঠিকই জয় তুলে নিয়েছে। সাকিবের সাবেক দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১০ রানে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে কলকাতা। ব্যাট হাতে ৫ বলে তিন রানের পর, বোলিংয়ে ৩৪ রান এক উইকেট নিয়েছেন সাকিব। সবমিলিয়ে সাদামাটা পারফরম্যান্সই বলা চলে।

রোববার চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে কলকাতা নাইট রাইডার্স ১৮৭ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়। সেই রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় হায়দরাবাদ। দলীয় ১০ রানে দুই ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ও ডেভিড ওয়ার্নার ফিরে যান। এরপর তৃতীয় উইকেটে মনীশ পাণ্ডে ও জনি বেয়ারস্টো মিলে ৯২ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন। ৪০ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৫ রানের ইনিংস খেলে প্যাট কামিন্সের বলে নিতিশ রানাকে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন বেয়ারস্টো।

 

এরপর দ্রুত আরও দুই উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকেই ছিটকে যায় হায়দরাবাদ। এক প্রান্ত আগলে রাখা মনীশ পাণ্ডে দলকে জেতাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েও হয়েছেন ব্যর্থ। যদিও শেষ দিকে আব্দুল সামাদের ৮ বলে ২ ছক্কায় ১৯ রানের ক্যামিও একটি ইনিংস খেলেছিলেন। কিন্তু জয়ের জন্য যা যথেষ্ট ছিলো না। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬১ রান আসে মনীশের ব্যাট থেকে। ৪৪ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় মনীশ নিজের ইনিংসটি সাজান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৭ রানে থামতে বাধ্য হয় ডেভিড ওয়ার্নারের নেতৃত্বে খেলা দলটি।

 

কলকাতার বোলারদের মধ্যে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ৩৫ রান খরচ করে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া সাকিব, কামিন্স ও রাসেল প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

আইসিসির নিষেধাজ্ঞা কারণে গত বছর আইপিএল খেলতে পারেননি সাকিব। দুই মৌসুম সানরাইজার্স হায়দরাবাদে খেলার পর চলতি মৌসুমে আবারও কলকাতার জার্সিতে মাঠে নামার সুযোগ হয়েছে তার। এদিন ব্যাটিংয়ের সুযোগও পেয়েছেন শেষদিকে। কিন্তু ইনিংসের ১৪ বল বাকি থাকলেও সাকিব সংগ্রহ করতে পেরেছেন মাত্র ৩ রান। তবে নীতিশ রানা-রাহুল ত্রিপাঠির হাফ সেঞ্চুরিতে এবং শেষদিকে দিনেশ কার্তিকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নাইটদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৮৭ রান।

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে শুরুটা দারুণ হয় নাইটদের। ৫৩ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন নীতিশ এবং শুভমান। ১৫ রানে শুভমানের বিদায়ে মাঠে নামের রাহুল ত্রিপাঠী। রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে নীতিশ রানা ছুটতে থাকেন। দুইজন মিলে তৃতীয় উইকেটে গড়েন মাত্র ৫৩ বলে ৯৩ রানের বড় জুটি। ২৯ বলে ৫ চার ২ ছক্কায় ৫৩ রান করা রাহুল ত্রিপাঠিকে আউট করেন নটরাজন।

এদিকে ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া নিতিশ রানা থামেন ৮০ রানে। ৫৬ বলে ৯ চার এবং ৪ ছক্কায় নবীন ঘূর্ণিতে পরাস্ত হন কলকাতার এই ওপেনার। অধিনায়ক মরগ্যান ৩ বলে ২ রান এবং সাকিব ৫ বলে ৩ রান করে ফিরেন। শেষ দিকে দিনেশ কার্তিকের ৯ বলে অপরাজিত ২২ রানের ঝড়ো ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে নাইটরা।

২টি করে উইকেট নিয়েছেন আফগানিস্তানের দুই স্পিনার রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবী। এছাড়া নটরাজন ও ভুবেনশ্বর কুমার নিয়েছেন একটি করে উইকেট।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top