ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

ডি-৮ এর সভাপতি বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ৯ এপ্রিল ২০২১ ০৮:০২; আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৫২

আট সদস্যবিশিষ্ট ডি-৮-এর চেয়ারম্যান হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট বৃহস্পতিবার (৮এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ডি-৮ এর শীর্ষ সম্মেলনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েব এরদোগান চেয়ারম্যানশিপ হস্তান্তর করেছেন।

পরাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন ‘শীর্ষ সম্মেলনের পর ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বলেন, ‘আগামী দুই (২) বছর এর জন্য বাংলাদেশ ডি-৮ এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। আজকের সম্মেলনে ঢাকা ঘোষণা ও আগামী ১০ বছরের জন্য রোডম্যাপ গৃহীত হয়েছে।’

পরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের সভাপতির মেয়াদে বাণিজ্য, পরিবহন, পর্যটন, খাদ্য নিরপাত্তা, জ্বালানি বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

 তিনি জানান ‘বাংলাদেশে বাণিজ্য ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি করতে চাই। ডি-৮ দেশগুলো ১১০ কোটি লোকের বাজার এবং এর পরিমাণ হচ্ছে এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। কিন্তু আমরা নিজেদের মধ্যে অত্যন্ত কম বাণিজ্য করি।’

এছাড়াও, বিশ্ব অর্থনীতির ওপর কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব দূরীকরণের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি-৮ দেশসমূহের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পণ্যের পাশাপাশি সেবা ক্ষেত্রেও মুক্ত এবং ন্যায়সঙ্গত প্রবেশের অধিকারে বিশ্বাস করে।

পরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই নিজেদের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে এবং এজন্য ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন চুক্তির বিষয়ে জোর দিয়েছে বাংলাদেশ।’

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ৩টি উদ্যোগ নিয়েছে এবং অন্য নেতারা সবাই প্রশংসা করেছে। ইয়ুথ সামিট, ডিজিটাল সম্ভাবনা ও অতিমারি পরবর্তী অবস্থা পর্যালোচনা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তিনটি উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।’

 

তিনি আরও বলেন, ‘ই্য়ুথ সামিটের বিষয়ে অন্য নেতারা বলেছেন, এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং ডিজিটাল বিষয়াদি এরমধ্যে অন্তর্ভুক্ত করায় অন্য নেতারা প্রশংসা করেছেন।’

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কার্যকর সহযোগিতা, নারীর ক্ষমতায়ন, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত সমস্যা মোকাবিলাসহ অন্যান্য বিষয় তুলে ধরেন বলে তিনি জানান।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে প্রথম ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং দ্বিতীয় সম্মেলনে চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তিনিই একমাত্র নেতা, যিনি গত ২৪ বছর ধরে এই সংস্থার সঙ্গে জড়িত আছেন এবং অন্যান্য দেশের নেতা পরিবর্তন হয়েছে।’

এছাড়াও, বিশ্ব অর্থনীতির ওপর কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব দূরীকরণের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি-৮ দেশসমূহের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ পণ্যের পাশাপাশি সেবা ক্ষেত্রেও মুক্ত এবং ন্যায়সঙ্গত প্রবেশের অধিকারে বিশ্বাস করে।

 

ডি-৮ সদস্যভুক্ত দেশগুলো হচ্ছে—বাংলাদেশ, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক।

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ডি-৮-এর চেয়ার, পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের কাউন্সিলের চেয়ার এবং পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের কমিটির চেয়ার হিসেবে আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম ও পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন অংশগ্রহণ করেন।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top