ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮

গণপরিবহনে ‘ভাড়া নৈরাজ্য’ বন্ধের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

নিজস্ব প্রতিবেদক: | প্রকাশিত: ১ এপ্রিল ২০২১ ১৮:১৭; আপডেট: ২৭ জুলাই ২০২১ ০৭:০৬

 

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।

 

তিনি বলেন, ‘‘পর্যাপ্ত গণপরিবহনের ব্যবস্থা ছাড়া অফিস আদালতসহ কর্মসংস্থানের সকল কার্যক্রম খোলা রেখে, দেশব্যাপী  করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় শুরু হওয়া ‘অর্ধেক যাত্রী বহন’ সফলতা আসবে না। একইসঙ্গে রাইট শেয়ারিংরের মোটরসাইকেল বন্ধের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সকল শ্রেণির গণপরিবহনে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। চালক, যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানাই।’’ অন্যথায়, কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট গণপরিবহনের ভাড়া নৈরাজ্য ও যাত্রী দুর্ভোগের যাবতীয় দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে বলে অভিযোগ করে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

বিবৃতিতে মোজাম্মেল হক চৌধুরী আরও বলেন, ‘করোনা সংকটে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চালানোর জন্য বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলেও এখন দেশের অধিকাংশ গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। সিটি সার্ভিস ও শহরতলীর বাস, হিউম্যান হলার, অটো-টেম্পুগুলোতে বর্ধিত ভাড়া নিয়ে সেই পুরনো কায়দায় গাদাগাদি করে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। এতে কর্মজীবী, শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের সাধারণ লোকজন, কর্মহীন ও আয় কমে যাওয়া দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াত দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে। এছাড়াও সকল অফিস-আদালত খোলা থাকায় অর্ধেক যাত্রী নিয়ে সিটি সার্ভিসের বাসগুলো চলাচলের ফলে রাস্তায় প্রতিটি বাস স্টপেজে শত-শত যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা  অপেক্ষা করেও গণপরিবহন পাচ্ছেন না। এতে করে নারী, শিশু, অসুস্থ রোগী ও অফিসগামী যাত্রীরা অবর্ননীয় দুর্ভোগে পড়ছেন। হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়া বাড়তি ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে প্রতিটি রুটে চলাচলকারী গণপরিবহনের যাত্রী-শ্রমিক বসচা, হাতাহাতি ও মারামারি চলছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার করোনাকালে পরিবহন সেক্টরে কোনও প্রকার ভুতর্কি না দিয়ে মালিকদের প্রস্তাব মতো যাত্রী সাধারণের সঙ্গে কোনও প্রকার আলাপ-আলোচনা ব্যতিরেকে, জনগণের ওপর একচেটিয়া বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। ফলে দেশব্যাপী চলাচলকারী বাস-মিনিবাসের সঙ্গে লেগুনা, হিউম্যান হলার, টেম্পু, অটোরিকশা, প্যাডেলচালিত রিকশা, ইজিবাইক, নসিমন-করিমন, টেক্সিক্যাবসহ সকল প্রকার যানবাহনের ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এতে যাত্রীদের স্বার্থ চরমভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। ভাড়ার নৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি বেড়েছে।’




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top