ঢাকা রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের প্রকল্প উঠছে একনেকে

বিশেষ প্রতিনিধি | প্রকাশিত: ২২ মার্চ ২০২২ ০৫:২৮; আপডেট: ২৯ মে ২০২২ ১৪:১৭

ফাইল ছবি

দেশের ১০টি জেলায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা হবে।

এজন্য ব্যয় হবে প্রায় হাজার কোটি টাকা। আর এই কাজটি করবে স্থানীয় সরকার বিভাগের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই)। দেশের উপকূলীয় এলাকায় মানসম্মত পানি সরবরাহে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘উপকূলীয় জেলাসমূহে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে পানি সরবরাহ’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অন্যদিকে শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রী ও সচিবরা উপস্থিত থাকবেন। 

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের প্রকল্পটির জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৬১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। একনেকে অনুমোদনের পর প্রকল্পটি ২০২১ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।

জানা গেছে, দেশের ১০টি উপকূলীয় জেলার ৪৪টি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে এলাকাবাসীকে নিরাপদ পানি সরবরাহ করা হবে।

২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্প এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহের কভারেজ ৬০ দশমিক ১ শতাংশে উন্নীত করা হবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় দুই লাখ ছয় হাজার ৮৭২টি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ইউনিট এবং ২০ হাজার ৬৭৬টি বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ সিস্টেমের ক্যাচমেন্ট এরিয়া নির্মাণ করা হবে।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সবার জন্য টেকসই নিরাপদ পানি সরবরাহ এবং স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে উপকূলীয় ১০টি জেলার ৪৪টি উপজেলার ২২২টি ইউনিয়নে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে তা সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীকে সরবরাহ করা হবে।

ফলে লবণাক্ততা ও আর্সেনিকপ্রবণ এলাকায় পানি সরবরাহ ব্যবস্থার অনেকাংশে উন্নতি ঘটবে, যা অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) মামুন-আল-রশিদ বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহ কভারেজ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। এতে উপকূলীয় এলাকার জনগোষ্ঠীর মধ্যে পানিবাহিত রোগের শঙ্কা কমে যাবে।

এছাড়া প্রকল্পটি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও এসডিজির লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে। এজন্য প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top