ঢাকা রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

মরে গেলেও মাঠ ছাড়ব না: তৈমুর

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারী ২০২২ ১৬:৫৩; আপডেট: ১৫ জানুয়ারী ২০২২ ১৮:২০

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, প্রশাসনকে বলেছি, জনগণের সেবা করা আপনাদের দায়িত্ব। বহুবার রিকোয়েস্ট করেছি, এখন বিবেকের কাছে ছেড়ে দিলাম। আগামীকালের ভোট যাই হোক, আমরা মাঠে থাকবো। গ্রেপ্তার হলে হবো, কিন্তু নির্বাচন চালিয়ে যাবো। মরে গেলেও মাঠ ছাড়ব না।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রচারের উদ্দেশ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তৈমুর আলম বলেন, প্রচার না, আমি সংবাদ সম্মেলন করছি। আমি ভোট চাইনি। আমার ঘরে আগুন লাগিয়ে দিলে আমি কী বলবো না? আমার লোকজন গ্রেপ্তার হচ্ছে, আমার গলায় আপনি ফাঁসি লাগিয়ে দিবেন আমি কথা বলতে পারবো না, সেটা তো হবে না। এটা নৈতিক দায়িত্ব। মানুষের ওপর যত অত্যাচার হয়, ভোটাররা তত ঐক্যবদ্ধ হয়। জনগণ আমার সঙ্গে আছে, আমি লক্ষাধিক ভোটে পাস করবো।

তৈমুর আরও বলেন, এখানে আপনাদের সামনে হাজেরা বেগম উপস্থিত আছে। তার স্বামী মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক। আমার বাড়িতে সে রাত দুইটা পর্যন্ত ছিল। তাকে ঈদগাহের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তাদের বেশিরভাগই আমার দলের গুরুত্বপূর্ণ পদের নেতা এবং নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করছে। পাঠানটুলি এলাকার একটা ছেলে আহসান, সেই এলাকায় আমার নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করেছিল। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি এখনও তার খোঁজ পাইনি।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর বলেন, এখানে অনেক লোক উপস্থিত যারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। এদের মধ্যে এমন কোন লোক নেই, যাদের বাড়িতে দুই থেকে তিনবার লোক যায়নি। প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, আপনি আমাদের ওপর এত অত্যাচার করছেন কেন? প্রশাসনের এহেন কাজে আপনার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পাপনও কাল এখানে ছিল। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এভাবে আমার লোকদের গ্রেপ্তার করা হলে নির্বাচন কমিশন যে বলছে, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, এটাই কী সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রক্রিয়া?

তিনি বলেন, এখানে যারা আছেন তাদের জিজ্ঞেস করে দেখেন, পুলিশ কীভাবে অত্যাচার করছে। একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। ভোটারদের নৌকায় ভোট দেয়ার জন্য প্রেশার দেয়া হচ্ছে। নয়তো তাদের ভোট দেবে তারা।

এসপির বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে যে কথা বলি এটাকি তার কর্ণগোচর হয় না? এসব সাফাইয়ের কোনো ভিত্তি নাই। রবি কী মাদক ব্যাবসায়ী, জামাল হোসেন কী হেফাজত। ১৯৫২ সালে যারা এদেশের আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছিল তারা বাঙালি পুলিশই ছিল।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top