ঢাকা শনিবার, ৮ অক্টোবর ২০২২, ২২ আশ্বিন ১৪২৯

হাটহাজারীতে নিহতদের মরদেহ নিজ এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছে পুলিশ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০২১ ২২:১৫; আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৩

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে পুলিশ-হেফাজতকর্মীদের সংঘর্ষে নিহত চারজনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে নিজ নিজ এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছে পুলিশ। শনিবার (২৭ মার্চ) রাত ৯টার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গ থেকে পুলিশি পাহারায় নিহতদের নিজ এলাকায় রওনা দেয় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স।

রাতের মধ্যেই স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় পুলিশি ব্যবস্থাপনায় তাদের মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগরের সহকারী পুলিশ কমিশনার শহীদুল ইসলাম।

 

তিনি বলেন, ‘লাশ পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। চারজনের মধ্যে একজনের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে। তিনজনের বাড়ি কুমিল্লা, নওগাঁ ও মাদারীপুরে। লাশ বাড়িতে চলে যাবে। হাটহাজারী মাদারাসায় নেয়া হবে না।’

শনিবার রাত ৯টার দিকে চারজনের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সগুলো কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নওগাঁ, কুমিল্লা, মাদারীপুর ও চট্টগ্রামের রাউজানের উদ্দেশে রওনা দেয়। নিজ এলাকায় মরদেহ দাফনের সিদ্ধান্ত শেষে মাগরিবের নামাজের পর হাটহাজারী মাদরাসায় নিহতদের গায়েবানা জানাজা হয়েছে।

এর আগে শনিবার বিকেল সাড়ে চারটায় হাটহাজারী থানায় হেফাজত নেতাদের সঙ্গে পুলিশের বৈঠকে এ সিদ্ধান্তে একমত হয় উভয়পক্ষ। বৈঠকে স্থানীয় সংসদ সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন ও চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক উপস্থিত ছিলেন। হেফাজতের পক্ষে দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইদ্রিসসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার (২৬ মার্চ) জুমার নামাজের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশ-হেফাজতের সংঘর্ষে চারজন নিহত হন। তারা হলেন- কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জের রবিউল হোসেন, নওগাঁর বদলগাছীর নসরুল্লাহ, মাদারীপুরের কাজী সিরাজুল ইসলাম ও চট্টগ্রামের রাউজানের ওয়াহিদুল ইসলাম।

তাদের মধ্যে তিনজন হেফাজতের কর্মী হলেও রাউজানের ওয়াহিদুল আলম হাটহাজারীতে একটি টেইলার্সে কাজ করতেন। তিনি সংঘর্ষের মাঝে পড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

শুরু থেকেই প্রশাসন চাইছিল মরদেহের ময়নাতদন্ত করে তাদের পরিবারের হাতে হস্তান্তর করতে। কিন্তু হেফাজতের দাবি ছিল- চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে মরদেহ হাটহাজারী মাদরাসায় নিয়ে যাওয়ার। শুক্রবার ও শনিবার ছয় দফা বৈঠকের পর মরদেহ হাটহাজারী না নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top