ঢাকা বুধবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২১, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

টানা তিন ম্যাচ জয়

অস্ট্রেলিয়ার দম্ভচূর্ণ করে বাংলাদেশের সিরিজ জয়

এম. এ রনী | প্রকাশিত: ৬ আগস্ট ২০২১ ১৯:২১; আপডেট: ৬ আগস্ট ২০২১ ১৯:৩৫

অস্ট্রেলিয়ার দম্ভচূর্ণ করে টানা তিন ম্যাচ জয়ে বাংলাদেশের সিরিজ নিশ্চিত।

এই প্রথম বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয় যা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য একটি বড় মাইলফলক। মাত্র ১২৭ রানের মামুলি টার্গেটও অস্ট্রেলিয়ার কাছে আজ পাহাড় সমান হয়ে দাড়ায়।

বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ১১৭রানে বেঁধে রেখে ১০রানের জয় দিয়ে ২ ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিশ্চিত করলো।

টি-টোয়েন্টি পাঁচ ম্যাচ সিরিজের টানা তিন ম্যাচ জয়ের মাধ্যেমে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের যেকোন ক্রিকেটে এই সিরিজ জয় যা বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় অর্জন।

বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হওয়া বিলম্ব হওয়া ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথমে ব্যাট করতে আসা বরাবরে মতো এবারও সৌম্য ব্যর্থ।

আর ভালো খেলা উপহার দিতে আসা নাঈম শেখও ব্যর্থ হন। প্রথমেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে বাংলাদেশ কিছুটা চাপে পড়ে যায়। সেখান থেকে মাহমুদউল্লাহ এবং সাকিব ছোট একটি পার্টনারশীপ করে দলকে প্রাথমিক বিপদমুক্ত করে খেলতে থাকে।

ভালো খেলতে থাকা সাকিব যেন তার স্বাভাবিক খেলার থেকে খেই হারিয়ে ১৭ বলে ২৬ রান করে ফেরত গেলো আবারও কিছুটা বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ।

কিন্তু পুরো সিরিজে নিজেকে নতুন করে চেনানো নবীন আফিফ তার স্বাভাবিক খেলা উপহার দিতে থাকেন। আফিফ ১৩ বলে ১৯ রান নিয়ে দূর্ভাগ্য ভাবে রান আউট হয়ে ফিরে যান।

এর পর নিয়মিত বিরতীতে বাংলাদেশের উইকেট হারাতে থাকে। স্রোতের বিপরীতে অধিনায়ক তার দায়িত্ব নিয়ে খেলে সিরিজের প্রথম এবং নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে পঞ্চম ফিফটি তুলে নেয়।

ইনিংসের শেষ ওভার করতে এসে অস্ট্রেলিয়ার নবীন বোলার ইলিস তার শেষ তিন বলে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে তার ক্যারিয়ের প্রথম হ্যাট্টিক করে বাংলাদেশের ইনিংস ১২৭ রানে বেঁধে রাখেন।

অস্ট্রেলিয়ার তাদের ব্যাটিংয়ে নেমেই দলীয় ৮ রানের মাথায় ক্যাপ্টেন ম্যাথু ওয়েডকে হারান। সেখান থেকে আরেক ওপেনার বেন ম্যাকডারমুট এবং অস্ট্রেলিয়ার এখন পর্যন্ত এই সিরিজে সেরা খেলা উপহার দেওয়া  মিচেল মার্শ দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে জয়ের বন্দরে দিকে নিয়ে যাচ্ছিল।

কিন্তু দলীয় ৭১ রানের সময় তাদের পঞ্চাশোর্ধ পার্টনারশীপটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান।  ভালে খেলতে থাকা ম্যাকডারমুট সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে ফিরত যাওয়ার ৩৫ রান করেন। অন্যদিকে মিচেল মার্শ তার এই সিরিজে প্রথম পঞ্চাশ রান করেন।

এরপর অস্টেলিয়ার আর কোন খেলোয়ারই সেভাবে দাড়াতেই পারেনি বাংলাদেশের বোলারদের কাছে। বিশেষ করে মোস্তাফিজ তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া যেন ইনিংসের মাজাই ভেঙ্গে দিয়েছে।

ইনিংসের ১৪তম এবং ১৯ তম ওভারে বল করতে এসে মাত্র ১ রান করে দুই ওভারে দুই রান দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে একপ্রকার ম্যাচটি ছিনিয়ে এনেছেন। মোস্তাফিজ ৪ওভার বল করে  মাত্র ৯ রান দেন।

বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল ২টি এবং সাকিব ও নাসুম ১টি করে উইকেট নেয়।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top