ঢাকা বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

লকডাউনের মধ্যেও ঢাকা মহানগর দক্ষিনের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো

সজিব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিনে কৃষকলীগের ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন

এম.এ রনী | প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২১ ০৯:০৬; আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২১ ১৩:৫৪

 

ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য নায়ক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতে ঘটে যাওয়া বিপ্লবের স্থপতি সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন মঙ্গলবার। সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার পুত্র। তিনি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্ম গ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।

 

 

সজিব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষকলীগ এক ব্যতিক্রম অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন স্মৃতি বিজারিত ধানমন্ডি ৩২ বঙ্গবন্ধুর বাস ভবনে। বাংলাদেশ কৃষক লীগ তার ৫১তম জন্মদিন উপলক্ষে ৫১টি বৃক্ষরোপন, করোনাকালীন এই বিভিসিকাময় সময়ে স্বাস্থ্য-সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে সজিব ওয়াজেদ এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ডিজিটাল বিপ্লবের সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করে উপস্থিত বক্তাগণ।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন করোনা বিজয়ী বাংলাদেশ কৃষক লীগের বিপ্লবী সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ। সঞ্চালনায় থাকেন সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি, এমপি।

 

 

বৃক্ষরোপন ও স্বাস্থ্য সমাগ্রী বিতরণ এবং দোয়া মাহফীলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ড. মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, এমপি (মাননীয় মন্ত্রী- তথ্য ও সম্প্রাচার মন্ত্রনালয় ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকেন বাবু সুজিত রায় নন্দী, ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

 

 

এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সভাপতি আলহাজ্ব আবদুস সালাম বাবুর নেতৃত্বে দক্ষিনের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং থানার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকেন। 

ঢাকা মহনাগর দক্ষিন ছাড়াও কৃষকলীগের বিভিন্ন নেতৃবিন্দ উপস্থিত থেকে উক্ত অনুষ্ঠানকে আরও সফলতার মাধ্যমে সম্পন্ন করেন।

 

উপস্থিত ঢাকা মহানগর দক্ষিনের নেতাকর্মী

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা এ দুইজনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্য কারিগর হিসেবে কাজ করছেন পরিশ্রমী, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠান।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতে ছিলেন জয়। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান তিনি। তার শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে।

সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন তিনি।

পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাদের একটি মেয়ে আছে।

লেখাপড়া করা অবস্থায় রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালে। ওই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়া হয় তাকে, যার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে আসেন তিনি।

বর্তমানে মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে আছেন। ২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন। 

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।

বর্তমানে দলীয় ঘরানা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়।

বিশেষ করে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আত্মনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি।

বর্তমানে বেশিরভাগ সময়েই দেশের বাইরে অবস্থান করতে থাকা সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশের রাজনীতি ও সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে ফেসবুকে মতামত ব্যক্ত করে থাকেন। ইতিমধ্যেই ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে তার নামডাক ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশের আইসিটি খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষাগত যোগ্যতা আর পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতা-এই দু’য়ের মিশেলেই দেশের আইসিটি খাতের এমন তড়িৎ উন্নতিতে সফল নেতৃত্ব দিতে পেরেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে ইন্টারনেটকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ইউনিয়ন পর্যায়ের পাশাপাশি চর বা পার্বত্য অঞ্চলের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট পৌঁছে  দেওয়া হয়েছে।

 

 




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top