ঢাকা শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ৫ আষাঢ় ১৪২৮

জাতীয় ফুটবলারদের মাসিক বেতন আওতায় আনার পরিকল্পনা : কাজী মোঃ সালাহ্উদ্দিন

স্পোর্টস ডেস্ক : এম.এ রনী | প্রকাশিত: ১০ জুন ২০২১ ২১:৫৫; আপডেট: ১০ জুন ২০২১ ২১:৫৬

বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়ারা ক্যাম্প চলাকালীন ভাতা পেয়ে আসছেন। কিন্তু এবার জাতীয় দলের সকল খেলোয়ারদের মাসিক বেতনের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানালেন বাফুফে সভাপতি।
 
অদ্য ১০ জুন ২০২১ তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২.০০ ঘটিকায় মতিঝিলস্থ বাফুফে ভবনের বোর্ড রুমে আমন্ত্রিত ফুটবল খেলোয়াড়গণ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সম্মানিত সভাপতি কাজী মোঃ সালাহ্উদ্দীন এর সাথে ফুটবল সংক্রান্ত বিষয়ে মতবিনিময়ের জন্য এক বৈঠকে অংশগ্রহণ করে। উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ আবু নাইম সোহাগ। অংশগ্রহণকারী ফুটবল খেলোয়াড়গণ হলেন, জনাব বিশ্বনাথ ঘোষ (বসুন্ধরা কিংস), জনাব মাহবুবুর রহমান সুফিল (বসুন্ধরা কিংস), জনাব মোঃ সাদ উদ্দীন (আবাহনী লিঃ, ঢাকা), জনাব মোঃ টুটুল হোসেন বাদশা (আবাহনী লিঃ, ঢাকা) এবং জনাব আশরাফুল ইসলাম রানা (শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেড, ঢাকা)।
 
 
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সম্মানিত সভাপতি কাজী মোঃ সালাহ্উদ্দীন বৈঠক সম্পর্কে বলেন, ‘আজকে যে পাঁচজন খেলোয়াড়দের সাথে আমি বৈঠকে ছিলাম, তারাই কিন্তু জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। এরা কাতারে যায়নি। তাই আমি প্রথমে জানতে চেয়েছিলাম, কেন তারা যায়নি। তারা জানালো যে, তারা ইনজুরড। তখন আমি চিন্তা করলাম সেরা খেলোয়াড়দের জন্য বেতনের একটি কাঠামো তৈরি করা যায়। এতে তাদের জাতীয় দলে খেলার প্রতি একটা আগ্রহও তৈরি হবে।’
 
 

 

সাধারণত বাইরের দেশে জাতীয় দরের ফুটবলাররা কোন বেতনের আওতায় থাকেন না। কিন্তু এ ব্যাপারে বাংলাদেশের এটির প্রচলনের কারণগুলো বাফুফে সভাপতি বলেন ‘বেতন কাঠামোর মধ্যে থাকরে সবাই জাতীয় দলে খেলার প্রতি আকৃষ্ট হবে, প্রতিদ্বন্দিতা বাড়বে। ইউরোরের ফুটবলাররা ক্লাবে অনেক অর্থ পায়। সেই অর্থ প্রয়োজনে ১০০ বছর খুবই স্বাচ্ছন্য ভাবে জীবন যাপন করতে পারবে। সেই কারণেই তাদের জাতীয় দলে খেলার জন্য কোন অর্থ প্রয়োজন এতো পড়ে না। আমাদের তো সেটা নেই। এখানে যদি ওরা সপ্তাহে দুই কোটি টাকা পেতো, তাহলে বেতন কাঠামোর প্রয়োজন পড়তো না।’

এরপর সালাউদ্দিন আরও বলেছেন, ‘সবার আয় সমান নয়। জাতীয় ফুটবলারদের সামাজিক কর্মকাণ্ড, পারিবারিক অনেক ব্যয়ও রয়েছে। একটা মিনিমাম স্ট্যান্ডার্ডের জন্য অবশ্যই অর্থ প্রয়োজন। আমরা বেতন কাঠামো নিয়ে এক রকম পরিকল্পনা করছি। কাতার থেকে ফেরার পর সবার সাথে বসবো।’

 

প্রাথমিক পরিকল্পনায় ৩০ জন ফুটবলারকে এই বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে। প্রথম ১৫ জন ‘এ’ ক্যাটাগরির, পরের দশ জন থাকবেন ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ও শেষ পাঁচ জন ‘সি’ ক্যাটাগরিতে থাকবেন। পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে ক্যাটাগরি পরিবর্তন হবে।.

 

বাফুফে ভবনে সভাপতির সঙ্গে সভা শেষে সিনিয়র ফুটবলার আশরাফুল ইসলাম রানা এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘আমাদের বেতন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনাটা খুবই ভালো। এতে আমরা আরও উৎসাহিত হবো। এমন কথা আমরা আগে থেকেই বলে আসছিলাম। এখন এটার বাস্তবায়ন হলে সবার জন্য ভালো হবে।’

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top