ঢাকা রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৩ মাঘ ১৪২৯

ইতালি থেকে ‘সুখবর’ নিয়ে ফিরছেন বাংলাদেশের মিডফিল্ডার

নিজস্ব প্রতিবেদক: | প্রকাশিত: ২ জুন ২০২১ ১৯:৫৬; আপডেট: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৯:৩৩

ইতালিয়ান কোচের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রিন্স (বাঁয়ে)

হঠাৎ করেই বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দলের খেলোয়াড় প্রিন্স লাল সমুন্দের সামনে সুযোগ চলে আসে, ইতালির সিরি ‘আ’-২ হকি চ্যাম্পিয়নশিপে পিস্তোইয়া দলে খেলার।

গত মার্চে সেখানে যোগ দিয়ে এরইমধ্যে মৌসুম শেষ করে ফেলেছেন এই মিডফিল্ডার। সেখানে নিজের সাবলীল পারফরম্যান্স দেখিয়ে সবার মন জয় করে নিয়েছেন তিনি।

আর এরই সঙ্গে আগামী মৌসুমে খেলার ‘সবুজ সংকেত’ নিয়ে বুধবার ঢাকার উদ্দেশে বিমানে চেপেছেন তিনি।

প্রিন্সের দল অল্পের জন্য সেমিফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি। ১০ ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জয় ও ড্র এবং দুটিতে হেরেছে। দলের জয়ে সহায়ক ভূমিকা ছিল বাংলাদেশি মিডফিল্ডারের। প্রিন্সের খেলাতে খুশি পিস্তোইয়ার কোচ ও ম্যানেজার। প্রিন্স নিজেই উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বাংলা ট্রিবিউনকে জানালেন সেই কথা, ‘আমরা অল্পের জন্য সেমিফাইনালে যেতে পারিনি। তবে আমি সব ম্যাচ খেলেছি। দলের গোল পাওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছি। কোনও সময় পেনাল্টি কর্নার থেকে, কোনও সময় আমার পাসে গোল হয়েছে। গত কয়েক মাসে আমার পারফরম্যান্স দেখে কোচ ও ম্যানেজারসহ সতীর্থরা বেশ খুশি।’

দলের কোচ ফিলিপ্পো ত্রেনো তো কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন, বাংলাদেশ থেকে আসা খেলোয়াড়টি কতটুকু এখানে খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু প্রিন্স শুরু থেকে চেষ্টা করেছেন দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে। তাই তো মৌসুম শেষে কোচের প্রশংসা বাণীও পেয়েছেন। পাশাপাশি পেয়েছেন আগামী মৌসুমে খেলার এক ধরনের বার্তাও।

প্রিন্স বললেন, ‘ইতালির কোচ আমার পারফরম্যান্সে খুশি হয়েছেন। তিনি নিজেই বলেছেন, শুরুতে আমাকে নিয়ে দুশ্চিন্তার কথা। কিন্তু প্রতিযোগিতা শেষে তার মুখে হাসি ফুটেছে। আমি আশা করছি, আগামী মৌসুমে ক্লাবটি আমাকে আবারও ডাকবে। অন্তত কোচ ও ম্যানেজারের সন্তুষ্টি দেখে তেমনটাই মনে হয়েছে। যদিও তারা সব সিদ্ধান্ত নেবে নতুন মৌসুম শুরুর আগে।’

পুরনো ঢাকার নাজিরাবাজারে বড় হলেও প্রিন্সের হকির চর্চা প্রস্ফুটিত হয়েছে বিকেএসপিতে। ঢাকা লিগে ওয়ান্ডারার্স ও ভিক্টোরিয়ায় খেলেছেন তিনি। এছাড়া অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে ওমানের বিপক্ষে সিরিজ খেলার অভিজ্ঞতা আছে এই তরুণের।

ইতালির প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পারিশ্রমিকও পেয়েছেন। যদিও তার কাছে খেলতে পারাটাই বড় বিষয়, ‘লকডাউনের মধ্যে দেশে হকির চর্চা সেভাবে ছিল না। সেই মুহূর্তে ইতালিতে খেলতে পারাটা বড় বিষয়। পারিশ্রমিকটা আমার কাছে মুখ্য নয়। মালয়েশিয়ার কোচ গোপিনাথন স্যার এই সুযোগ করে দিয়েছেন।’

প্রিন্সের দলে বিদেশি কোটায় উগান্ডার দুই খেলোয়াড় আছেন। তাদের সঙ্গে লড়াই করে দলে সুযোগ করে নিয়েছেন তিনি। এছাড়া প্রতিপক্ষ দলে ভারত ও পাকিস্তানের খেলোয়াড়ও ছিল। তাই ইতালির অভিজ্ঞতাটা প্রিন্সের কাছে স্মরণীয় বটে!




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top