ঢাকা, ২৩ মার্চ ২০১৭, ৯ চৈত্র ১৪২৩, স্থানীয় সময়: ২০:১৯:৫৬

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

মিথ্যা দোষারোপকারীরা শিক্ষা পেয়েছে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে তিস্তা চুক্তির সম্ভাবনা বিএনপি-জামায়াত জোটের রাজনীতি ধ্বংসাত্মক : দীপু মনি তেজগাঁওয়ে সমরাস্ত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রাণভিক্ষা চাইবেন জঙ্গিনেতা হান্নান ও রিপন দুই মাসের জন্য স্থগিত এফবিসিসিআই’র নির্বাচন জঙ্গি নেতা হান্নানের রিভিউ আবেদন খারিজের রায় প্রকাশ অান্তর্জাতিকভাবে ‘গণহত্যা দিবস’ পালনে জাতিসংঘে প্রস্তাব আ.লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষ ভাল থাকে : মির্জা আজম বেগম খালেদার সঙ্গে সংলাপে বসুন: দুদু জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ নেতা হয়ে শুধু বসে থাকলে চলবে না: প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন কপ-২২ সম্মেলনের সমাপ্তি ‘ওয়াটার এসডিজি’র জন্য তহবিল গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ঘুষ গ্রহণ বন্ধ করুন নইলে কঠিন পরিণতি: দুদক চেয়ারম্যান

জাতীয়, প্রধান সংবাদ, শিরোনাম, সর্বশেষ | ২৮ পৌষ ১৪২৩ | Wednesday, January 11, 2017

সংবাদ প্রতিদিন: ঘুষ গ্রহণ বন্ধ করুন নইলে কঠিন পরিণতির জন্য অপেক্ষা করুন। যেসব দপ্তরে অধিক দুর্নীতি হয় বলে জনশ্রুতি রয়েছে, সেখানে ফাঁদ পেয়ে দুর্নীতিবাজদের ধরা হবে।

ইকবাল মাহমুদ

আজ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এসব কথা বলেন। দুদকের ২০১৬ সালের কার্যক্রম ও ২০১৭ সালের পরিকল্পনা জানানো হয়।

তিনি বলেন, ফাঁদ পেতে দুর্নীতিবাজদের ধরার ঘটনায় ২০১৬ সালে ১৩টি মামলা হয়। ফাঁদ পেতে দুর্নীতিবাজদের ধরা ও মামলার বিষয়টি চলতি বছর বেগবান করা হবে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতিপ্রবণ দপ্তরগুলোতে বিশেষ নজরদারির বিষয়টি এবার দৃশ্যমান হবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুদক ২০১৬ সালে ১২ হাজার ৫৬৮টি অভিযোগ পায়। এর মধ্যে অনুসন্ধানের জন্য গৃহীত হয় ১ হাজার ৫৪৩টি অভিযোগ। প্রশাসনিক ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয় ৫৪৩টি অভিযোগ।

ইকবাল মাহমুদ জানান, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে দুদকে বেশি অভিযোগ আসে। কিন্তু অধিকাংশ অভিযোগ দুদকের তফসিল বহির্ভূত হওয়ায় তা অনুসন্ধানের জন্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।

মামলাসংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, ২০১৬ সালে ৩৩৯টি মামলা করা হয়েছে। অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে ৫২৮টি মামলায়। বিচারিক আদালতে নিষ্পত্তি হওয়া দুদকের মামলার তথ্যে দেখা যায়, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে সাজার হার বেড়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন/রিন্টু