ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৭, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৩, স্থানীয় সময়: ১৩:২১:৪৩

এ পাতার অন্যান্য সংবাদ

মাদারীপুরেও চলছে পরিবহন ধর্মঘট কাঁচপুরে পোশাক কারখানায় আগুন যুবলীগ নেতাকে প্রকাশ্যে জুতাপেটা টাঙ্গাইলে গ্রামীণ পাঁকা সড়ক স্থায়ীত্ব হারাচ্ছে গাজীপুরে বেকারী ও মিষ্টির দোকানীকে জরিমানা প্রাথমিক শিক্ষাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে : গণশিক্ষা মন্ত্রী শেরপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৫ পরিবারের পাশে হুইপ আতিক বেলকুচিতে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে গণধর্ষণ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, নিহত ২ দৌলতপুরে ডাকাত সর্দার গ্রেফতার দক্ষিণাঞ্চলে পরিবহন ধর্মঘটে দুর্ভোগ চরমে বাউফলে জুয়েলারি দোকানে ডাকাতি গাজীপুরে পরিবেশ দূষণে হাইকোর্টে রিট

রামেক’এ রেডিওথেরাপি বন্ধ রোগী দুর্ভোগ চরমে

দেশ প্রতিদিন, রাজশাহী, শিরোনাম, সর্বশেষ, স্বাস্থ্য | ২৪ পৌষ ১৪২৩ | Saturday, January 7, 2017

রাজশাহী ব্যুরো: দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের রেডিওথেরাপি বন্ধ। রেডিও থেরাপি মেশিন বিকল থাকায় ক্যান্সারাক্রান্ত রোগীদের জরুরী এ সেবাটি বন্ধ রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন রোগীরা। বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়ও। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, মেশিনটি সারাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে কয়েক দফা চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু ফল মেলেনি।

---

জানা গেছে, প্রতি মাসেই ক্যান্সারের চিকিৎসা নিতে অর্ধশত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রতিদিন গড়ে চার-পাঁচজন রোগী আসেন হাসপাতালে। ক্যান্সারাক্রান্ত প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীকে নিতে হয় রেডিওথেরাপি। কিন্তু মেশিন বিকল থাকায় চিকিৎসা সেবা বন্ধ। বিশেষ করে ক্যান্সারাক্রান্ত গরিব রোগীরা পড়েছেন বিপাকে। তাদের বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে মোটা খরচে থেরাপি নেয়ার সামর্থ্য নেই। ফলে সেবাবঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, ঢাকার বাইর শুধু রাজশাহী মেডিকেল কলেজেই এমফিল ও এমডি-রেডিওথেরাপি (অনকোলজি) ডিগ্রি দেয়া হয়। শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি প্রতিদিন এক থেকে দেড় শ’ রোগীর চিকিৎসা দেয়া এখানে। এ জন্য ১৯৯৬ সালে চীনের তৈরি ‘কোবাল্ট-৬০’ যন্ত্রটি স্থাপন করা হয়। তবে ক্যান্সার চিকিৎসার সোর্স (যে উৎস থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির বিকিরণ ঘটে) আমদানি করা হয় রাশিয়া থেকে।

প্রতি ৫ বছর অন্তর সোর্স পরিবর্তন করার কথা। সর্বশেষ নতুন করে সোর্স স্থাপন করা হয় ২০০৪ সালে। নিয়মানুযায়ী ২০০৯ সালে সোর্স পরিবর্তনের কথা থাকলেও সেটি আর হয়ে ওঠেনি। মেশিনগুলোর খুচরা যন্ত্রাংশও মিলছেনা। এতে দিন দিন কর্মক্ষমতা হরিয়ে এক পর্যায়ে বিকল হয়ে যায় মেশিনটি।

রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, হাসপাতালে ভর্তির পর রেডিওথেরাপি না থাকায় তাদের ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। পরে ঢাকা থেকে থেরাপি নিয়ে ফেরেন রোগীরা।

রামেক হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. নূরুল ইসলাম জানান, মেশিনটির প্রতি ৫ বছর ২ মাস পর সোর্স পরিবর্তন করতে হয়। মেশিনটি প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় নষ্ট। সোর্স পরিবর্তন করা হলে আবার চলবে। হাসপাতালে এর চিকিৎসা খরচ পড়ে মাত্র সাড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামেক হাসপাতলের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এএফএম রফিকুল ইসলাম জানান, মেশিনটি সচল করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে চিঠি দিয়েছি। আশা করছি দ্রুত ঠিক হয়ে যাবে। তবে কবে নাগাদ এটি চালু হবে তা নিশ্চিত করে জানাতে পারেননি পরিচালক।

সংবাদ প্রতিদিন/ওমর চৌধুরী