প্রশ্নপত্র ফাঁস অশনি সংকেত
প্রচ্ছদ » টপ লিড (ডান) » প্রশ্নপত্র ফাঁস অশনি সংকেত


শুক্রবার ● ২৭ অক্টোবর ২০১৭

---
দেদারসে ফাঁস হচ্ছে প্রশ্নপত্র। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে শিক্ষা জীবন শেষে চাকুরির নিয়োগ পরীক্ষা- সবখানেই ঘটছে ফাসেঁর ঘটনা। ফলে, পরবর্তী প্রজন্ম গড়ে উঠছে এই অপবাদ নিয়েই।

শিক্ষাবিদরা, বছরের পর বছর ধরে এ ধরনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারাকে অশনি সংকেত বলে মনে করছেন। এ নিয়ে ২০১৪ সালে একটি কমিটি গঠন করা হলেও ৩ বছর পরও কার্যকর করা যায়নি সুপারিশগুলো।

এক সময় ছিলো নকলের মহোৎসব। সে কলঙ্ক থেকে বের না হতেই নতুন করে দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে প্রশ্নপত্র ফাসের মতো ঘটনা। কি জেএসসি, কি পিএসসি, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক কিংবা চাকুরির নিয়োগ, সব পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষায় ঘটছে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা।

এক সময় ছিলো নকলের মহোৎসব। সে কলঙ্ক থেকে বের না হতেই নতুন করে দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা। কি জেএসসি, কি পিএসসি, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক কিংবা চাকুরীর নিয়োগ, সব পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষায় ঘটছে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা।

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু করে একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় ঘটেছে এ ধরনের ঘটনা। ঘটনা ঘটে, পরীক্ষা বাতিল হয়, কোথাও আবার প্রমাণের অভাবে কিছুই হয় না। হতাশাই তাই শেষ ঠিকানা শিক্ষার্থীদের। তারা বলেন, ‘আমরা হতাশ। পেছনের ব্যাক বেঞ্চারের চাকরি হচ্ছে। যারা টাকা দিয়ে প্রশ্ন কিনছে তাদেরই চাকরি হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে মেধা শূন্য হয়ে পড়বে জাতি। এভাবে মেরুদণ্ড ভেঙ্গে কোন জাতি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলতে পারে না।’

২০১৪ সালে ব্যাপক অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুয়েট, এটুআই প্রকল্প, কম্পিউটার সোসাইটি এবং শিক্ষাবিদদের নিয়ে সমস্যার কারিগরি সমাধান খোঁজার উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছিলো কমিটি। সে কমিটির সুপারিশগুলো এখনো দেখেনি আলোর মুখ। বর্তমান পদ্ধতিতে রোধ করা যাচ্ছে না প্রশ্নপত্র ফাঁস। ঝুঁকি আছে তাই আপাতত নতুন কোন পদ্ধতিতেও সমাধান খুঁজতে আগ্রহী নয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা সচিব ও ২০১৪ কমিটির প্রধান সোহরাব হোসাইন বলেন, নতুন কোন সমাধান না পাওয়া গেলে আমরা পুরনো পদ্ধতিকে আরো উন্নত করে কিভাবে ব্যবস্থা নেয়া যায় তার চেষ্টা করছি।

বছরের পর বছর ধরে সমস্যার সমাধান নেই। কারণ, অভিযুক্তরা বরাবরই থেকে যাচ্ছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, এটা এক ধরনের অশনি সংকেত।এভাবে চলতে পারে না। প্রত্যেক বার তদন্ত কমিটি হচ্ছে। কিছু ব্যক্তির নাম আসছে। কিন্তু তাদের কিছুই করা হচ্ছে। অন্তত তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হলে একটা বার্তা যেতো যারা এই ধরনের কাজ করছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, আগে বিজি প্রেসে যেখানে প্রশ্নপত্র তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রায় ২০০ মানুষ জড়িত থাকতো, বর্তমানে সেটি ১৫-১৬ তে নামিয়ে আনা হয়েছে। তাদেরও কঠোর নজরদারিতে রাখে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩১:০৪ ● ৩২২ বার পঠিত



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আরো পড়ুন...