জিয়াকে নিয়ে নিজ অবস্থান পরিষ্কার করলেন সিইসি
প্রচ্ছদ » জাতীয় » জিয়াকে নিয়ে নিজ অবস্থান পরিষ্কার করলেন সিইসি


বৃহস্পতিবার ● ২৬ অক্টোবর ২০১৭

---
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা বলে দেয়া বক্তব্য নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তিনি বলেছেন, কাউকে খুশি করার জন্য এ কথা বলেননি বক্তব্য তথ্যভিত্তিক।

বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) সংলাপ–পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জিয়াউর রহমানকে নিয়ে দেয়া বক্তব্য কীভাবে তথ্যভিত্তিক, এর ব্যাখ্যাও দেন সিইসি। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান যখন নতুন দল গঠন করেন, তার আগে ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত দেশে গণতন্ত্র ছিল না। ৭৫ পর্যন্ত গণতন্ত্র ছিল। সেই ভিত্তিতে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।

গত ১৫ অক্টোবর বিএনপির সঙ্গে মতবিনিময় সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে সিইসি বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ভাল ভাল কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকাকালে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দেশে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

ওই বক্তব্যের পর সিইসির পদত্যাগ চেয়েছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ প্রেসিডেন্ট বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। তাকে কম কথা বলার পরামর্শ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ করেছে ইসি। এ পর্যন্ত ৪০ টি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইসি। এছাড়াও সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, নির্বাচনী পর্যবেক্ষক নারী নেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সংলাপ করেছে ইসি।

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে সিইসি আরো বলেন, সংলাপে ৪০০টির মতো প্রস্তাব এসেছে। ডিসেম্বর মাসে এইসব সংলাপ বই আকারে প্রকাশ করা হবে। আর যে প্রস্তাবগুলো ইসির বাস্তবায়নের এখতিয়ার আছে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। আইন পরিবর্তরে প্রস্তাবগুলো জাতীয় সংসদে পাঠানো হবে। আর রাজনৈতিক বিষয়গুলো দলের কাছে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, সবদলকে নির্বাচনে আনার ব্যাপারে ইসি কোনো উদ্যোগ নেবে না। তবে বিএনপিসহ সব দল আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে বলে আশা করেন সিইসি।

এক প্রশ্নের জবাবে কে এম নুরুল হুদা বলেন, সরকার যদি এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন না করে, তাহলে তাদের ওপর চাপ দেয়ার বা বাধ্য করার সুযোগ নেই।

আরেক প্রশ্নের জবাবে নৈতিক সমঝোতার উদ্যোগ নির্বাচন কমিশন নেবে না বলে জানান তিনি। রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবেই সমসাধান হওয়া ভালো বলে কমিশন মনে করে।

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৫৭:২৮ ● ৩৫৬ বার পঠিত



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আরো পড়ুন...